1. admin@www.gonomullawon.com : Alomgir Aif : Alomgir Aif
  2. shihabahmmed234@gmail.com : Gono Mullawon : Gono Mullawon
  3. tanna-dianacrocodile@wintds.org : tanna-dianacrocodile :
  4. tbonitadormouse@wintds.org : tbonitadormouse :
  5. tcarlysalamander@wintds.org : tcarlysalamander :
  6. test15297474@wintds.org : test15297474 :
  7. test29658837@wintds.org : test29658837 :
  8. test35896070@wintds.org : test35896070 :
  9. tettipython@wintds.org : tettipython :
  10. tflorinaermine@wintds.org : tflorinaermine :
  11. tgiannalark@wintds.org : tgiannalark :
  12. tmartgueritamuskox@wintds.org : tmartgueritamuskox :
  13. trenegazelle@wintds.org : trenegazelle :
  14. tshelsheep@wintds.org : tshelsheep :
  15. ttonybovid@wintds.org : ttonybovid :
  16. qvczcntcrmdidnjmctzqgrlzdcyhnjql@mailkept.com : user_jzugtqzougsp :
অপরাধ যাই হোক, শিশুকে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়া যাবে না: হাইকোর্ট » দৈনিক গণমূল্যায়ন
মঙ্গলবার, ২০ জুলাই ২০২১, ০৩:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ইদানিংকালের গণমাধ্যম জগতে সিংহভাগই সাংবাদিক নন!!তালুকদার রায়হান শ্রীমঙ্গলে ৩১ ঘন্টার মধ্যে ঘাতক বন্ধু সজীব গ্রেফতার সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মী খন্দকার সাইফুল ইসলাম সজল এর জন্মদিন আজ আইন অমান্য করায় মৌলভীবাজার জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ১৬৭জন ব্যক্তিকে মোট ৮৯,৯০০/= টাকা অর্থদন্ড শ্রীমঙ্গলে লকডাউনের প্রথম দিনে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি। বাংলাদেশের প্রথম এবং সর্ববৃহৎ অনলাইন মিডিয়া ডিরেক্টরি প্রিন্ট এ আসছে শীঘ্রই। কঠোর লকডাউনের প্রথম দিন চলমান: পাবনার ফরিদপুরে প্রশাসনের সচেতনতা বৃদ্ধির অভিযান। বিবিডিসি’র উপদেষ্টা হলেন আইন ও মানবাধিকার সুরক্ষা ফাউন্ডেশন এর পরিচালক সাংবাদিক এস এম জীবন। সাতগাঁও গণমূল্যায়ন পরিষদের ক্যাম্পেইনের টাকা হস্তান্তর করা হয় রানু আক্তার এর স্বামীর হাতে। ঐতিহ্যবাহী নতুন বাজার খেলার মাঠের বেহাল দশা: সংস্কার ও দখল মুক্ত চায় ক্রীড়া প্রেমীরা।
নোটিশ :
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম, আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ, দৈনিক গণমূল্যায়ন পত্রিকায় সাংবাদিক নিয়োগ চলছে, যোগাযোগ করুনঃ মোবাইল-01719-892350, নিউজ রুম- 01404-775481 ,ফেইসবুক-দৈনিক গণমূল্যায়ন ই-মেইল: gonomullawon@gmail.com

অপরাধ যাই হোক, শিশুকে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়া যাবে না: হাইকোর্ট

নিউজ ডেক্স
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৫ মার্চ, ২০২১

শিশুর অপরাধ যাই হোক না কেন, তাকে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়া যাবে না বলে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি শওকত হোসেন, বিচারপতি রুহুল কুদ্দস ও বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন সমন্বয়ে হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চে দেয়া রায়ে এমন সিদ্ধান্ত আসে।২০১৯ সালের ২৮ আগস্টে দেয়া সে রায়ের ৬৪ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে। ‘মো. আনিস মিয়া বনাম রাষ্ট্র’ নামের এ মামলায় আইনজীবী ছিলেন এস এম শাহজাহান ও আবু হানিফ।

একটি হত্যা মামলায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ও ১৯৭৪ সালের শিশু আইনে ২০১১ সালে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৪ এবং শিশু আদালতের রায়ে এক শিশুকে ১০ বছরের সাজা দেয়া হয়। অন্য কয়েকজন আসামিকে দেয়া হয় মৃত্যুদন্ড। ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে শিশুটির পক্ষে হাইকোর্টে আপিল করা হয়। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদন্ডাদেশের অনুমোদনের আবেদন) ও শিশুটির আপিল হাইকোর্টের একটি দ্বৈত বেঞ্চে শুনানির জন্য ওঠে।

মামলায় দেখা যায় যে, ১০ বছর কারাদন্ড দেয়া শিশুটির স্বীকারোক্তি নেয়া হয়েছে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায়। তখন এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণের যৌক্তিকতা এবং শিশু আদালতের এখতিয়ারসহ কিছু গুরুত্বপূর্ণ আইনগত বিষয় নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় মামলাটি বৃহত্তর বেঞ্চে নিষ্পত্তির জন্য প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়। ২০১৮ সালের ২ অক্টোবর প্রধান বিচারপতি বৃহত্তর বেঞ্চ গঠন করে দেন। তিন সদস্যের বেঞ্চের রায়ে আনিসের সাজা বাতিল করা হয়।
আদালতে মো. আনিস মিয়ার পক্ষে আইনজীবী ছিলেন এস এম শাহজাহান ও মো. আবু হানিফ।
এ মামলায় এমিকাস কিউরি হিসেবে আদালতে মতামত দিয়েছিলেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, এম আই ফারুকী ও শাহদীন মালিক।

রায়ে বলা হয়, শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি গ্রহণ কিশোর বিচার ব্যবস্থার ধারণার পরিপন্থি। নিউরোসায়েন্স এবং মনস্তাত্ত্বিক গবেষণা অনুযায়ী শিশুরা তাদের কর্মকান্ডের পরিণতি সম্পর্কে সম্পূর্ণ সচেতন নয়। শিশুরা তাদের আবেগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। শিশুরা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির পরিণতি সম্পর্কেও সম্যক ধারণা রাখে না বলে রায়ে বলা হয়। বস্তুত মস্তিস্কের (ব্রেইন) যে অংশ আবেগ ও যৌক্তিকতা নিয়ন্ত্রণ করে, শিশু অবস্থায় মস্তিস্কের সে অংশ পরিপক্ক হয় না। 

রায়ে বলা হয়, কিশোরের বিচার (জুভেনাইল জাস্টিস) ব্যবস্থায় কোনো শিশুর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির সাক্ষ্যমূল্য নেই। আর এই স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিকে সাজা দেয়ার ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না।

রায়ে উল্লেখ করা হয়, স্পর্শকাতর মামলায় কোনো কোনো ক্ষেত্রে সংঘাতে জড়ানো শিশুর মা-বাবাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর এনিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশের পর তার আর মানসিক ভারসাম্য থাকে না। একারণে অনেক ক্ষেত্রে তারা অপরাধের দায় নিজের ঘাড়ে চাপিয়ে নেয়। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে সুবিধা পাওয়ার প্রলোভনে শিশু স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হয়ে যায়। আইনের সঙ্গে সংঘাতে জড়িত শিশুর বিচারের এখতিয়ার শিশু আদালতের।

রায়ে বলা হয়, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল কোনোভাবে শিশু আদালতের এখতিয়ার প্রয়োগ করতে পারে না। অভিযুক্ত শিশুর অপরাধ যাই হোক না কেন তাকে ১০ বছরের বেশি সাজা দেয়া যাবে না।-বাসস

এই সংবাদটি শেয়ার করুনঃ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির আরো সংবাদ
Copyright 2021 GonoMullawon
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD